চন্ডিকা হাথুরুসিংহে এখন আর বাংলাদেশের কোচ নন। বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সময় বিসিবি সভাপতিকে পদত্যাগের বিষয়ে নিশ্চিত করেন তিনি। বিষয়টা গণমাধ্যমে আসে মাত্র কয়েকদিন আগে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ হলেও দেশে ফেরেননি এই লঙ্কান কোচ। শোনা যাচ্ছে, আবার শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের কোচ হতে পারেন তিনি।
হাথুরুসিংহে আবার শ্রীলঙ্কা দলের কোচ হবেন এটা জেনে বেশ বেশ খুশি দেশটির ক্রিকেটার দিমুথ করুনারত্নে। বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা জাতীয় দল। এখানেই হাথুরুসিংহেকে কোচ হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন করুনারত্নে। এই ব্যাটসম্যান বলেন,‘এটা আমাদের জন্য ভালো খবর। তিনি আমাদের প্রায় সব ক্রিকেটারকে চেনেন। আমি তাঁর অধীনে জুনিয়র লেভেলে খেলেছি। তবে তিনি আসবেন কি না আমি নিশ্চিত নই। কারণ খবরটা আমি গণমাধ্যম থেকে শুনেছি। বোর্ড বা তিনি (হাথুরুসিংহে) কেউই এই বিষয়ে কিছু বলেননি। তবে তিনি কোচ হলে নিঃসন্দেহে এটা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের জন্য ভালো খবর।
হাথুরুসিংহের অধীনে গত তিন বছরে দারুণ সব সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১৬ এশিয়া কাপের ফাইনাল ও সর্বশেষ ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠে টাইগাররা। এ ছাড়া ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে জিতেছে বাংলাদেশ তাঁর অধীনেই। তা ছাড়া ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকেও বাংলাদেশ হারায়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত হাথুরুসিংহের সঙ্গে চুক্তি ছিল ক্রিকেট বোর্ডের। তবে তার অনেক আগেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন তিনি।
এর আগে শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান গ্রাহাম ফোর্ড। এরপর থেকেই কোচের সন্ধানে রয়েছে দেশটি। এদিকে টাইগারদের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে হাথুরুসিংহের পদ্যতাগ! এখন দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নিন।
শ্রীলঙ্কা দলের সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন চন্ডিকা হাথুরুসংহে। ২০০৫ সাল থেকে লঙ্কান ‘এ’ দলের কোচ ছিলেন হাথুরুসিংহে। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় দলের সহকারী কোচ হন। পরের বছর অবশ্য তার চাকরি চলে যায়। লঙ্কান বোর্ড প্রধানের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
![]() |
| All Sports |
