Saturday, October 21, 2017

মাইলফলকের সামনে অধিনায়ক মাশরাফি

হারটা অভ্যাসে পরিণত করা বাংলাদেশকে টানা জেতাতে শিখিয়েছিলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মতুর্জা। ২০১৪ সাল থেকে চৌকস সেনাপতির মতো লাল-সবুজের দলকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন তিনি। মাশরাফির অধীনে টানা ছয়টি ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। এর মধ্যে পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলোকে হারায় মাশরাফির দল। তিনিই যে বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এবার আরেকটি দারুণ মাইলফলক ছুঁতে যাচ্ছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। আগামীকাল রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ৫০তম ওয়ানডেতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ম্যাশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ ম্যাচ দিয়েই ৫০তম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার গৌরব অর্জন করবেন মাশরাফি। সংখ্যার বিচারে তাঁর সামনে রয়েছেন কেবল দুজন। ৬৯টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে সবার ওপরে রয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন। ইস্ট লন্ডনে টস করার সময় মাশরাফি ছুঁয়ে ফেলবেন সাকিব আল হাসানকে। বিশ্ব সেরা এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশকে ৫০টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেন।
দলকে জেতানোর দিক দিয়ে মাশরাফির সামনে রয়েছেন কেবল হাবিবুল বাশার। সাবেক এই ব্যাটসম্যানের নেতৃত্ব ২৯ ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। সেখানে ৪৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে মাশরাফি জিতিয়েছেন ২৭টি ম্যাচে। 
আইসিসির টুর্নামেন্টে মাশরাফির নেতৃত্ব সর্বজনবিদিত। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো তাঁর অধীনেই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। এ ছাড়া এই বছর মাশরাফির নেতৃত্বেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে ওঠে লাল-সবুজের দল।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভালো নেই বাংলাদেশ। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজটাও হেরে বসেছে। ইস্ট লন্ডনে তৃতীয় ম্যাচে প্রথম জয়ের খোঁজে নামবে বাংলাদেশ। মাইলফলকের ম্যাচে দেশকে জেতাতে মুখিয়ে থাকবেন মাশরাফিও।
Add caption

তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে মুমিনুল

আগামীকাল রোববারই শেষ হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। এর পরই শুরু হবে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিয়ে পরিকল্পনা। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে।
আজ শনিবার ঘোষিত এই দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক, উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাস এবং দুই পেসার রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলাম। 
তবে মুমিনুল বেশ কিছুদিন পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন। ২০ ওভারের ক্রিকেটে সর্বশেষ মাঠে নেমেছিলেন তিনি ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
২৬ অক্টোবর সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি। আর সিরিজের শেষ ম্যাচটি হবে ২৯ অক্টোবর। 
তবে চোটের কারণে এই দলে নেই ওপেনার তামিম ইকবাল ও পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এই চোটের কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছেন তাঁরা।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাংলাদেশ দল : সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস, নাসির হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

Friday, October 20, 2017

আবার নাজমুলই বিসিবির নেতৃত্বে?

গতবার সাবের হোসেন চৌধুরী অন্তত কাউন্সিলর হয়েছিলেন। এবার সেটিও হননি বিসিবির সাবেক এই সভাপতি। বিসিবির নির্বাচনে কার্যত শুধু নাজমুল হাসানের পক্ষই অংশ নিচ্ছে, সেটি আগে থেকেই পরিষ্কার। বিসিবির বর্তমান সভাপতি আজ বিকেলে যখন তাঁর প্যানেল ঘোষণা করলেন, স্বাভাবিকভাবেই তাতে ছিল না নির্বাচনের উত্তাপ। পুরোনো চিত্রনাট্য মেনে নাজমুলের নেতৃত্বে প্রায় একই পরিচালনা পর্ষদই হয়তো নতুন করে দায়িত্ব নিতে পারে আগামী ১ নভেম্বর।
গতবার সাবের হোসেন ও তাঁর সমর্থকেরা সরে দাঁড়ানোয় যে ২৩ পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল, তাঁদের মধ্যে ১৯ জনই নির্বাচিত হয়েছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। এবারও ফাঁকে মাঠে গোলাদাতার সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি। দু-চারটি পরিবর্তন বাদে ঘুরে-ফিরে আবারও একই মুখ হয়তো দেখা যাবে পরিচালনা পর্ষদে।
আজ মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৩০ প্রার্থী। এর মধ্যে ক্যাটাগরি-২, অর্থাৎ ঢাকার ক্লাবগুলো থেকে নাজমুল হাসানের প্যানেলে থাকা ১২ কাউন্সিলরের বাইরে কেউ মনোনয়নপত্রই কেনেননি। সবাই এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েই গেলেন বলতে গেলে। এমনকি গত নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া ক্যাটাগরি-৩-এ। গাজী আশরাফ হোসেনকে হারিয়ে পরিচালক হয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ। তবে এবার এই ক্যাটাগরিতে খালেদ মাহমুদ ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র না তোলায় এখানেও কোনো লড়াই হচ্ছে না। ২৫ পরিচালকের মধ্যে ১৩টি তো এখানেই নিশ্চিত।
যা একটু প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা নিয়ে গড়া ক্যাটাগরি-১-এ; বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে। ঢাকা বিভাগে দুই পরিচালক পদের বিপরীতে আজ মনোনয়নপত্র কিনেছেন ছয়জন। নাজমুল হাসানের প্যানেল থেকে নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ও বর্তমানে বিসিবির পরিচালক নাঈমুর রহমান। তাঁর সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর তানভীর আহমেদ, মুন্সিগঞ্জের জুনায়েদ হোসেন, কিশোরগঞ্জের আশফাকুল ইসলাম, নরসিংদীর শাহীনুল ইসলাম ও গোপালগঞ্জের ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম।
ঢাকা বিভাগের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বরিশাল বিভাগে। একটি পরিচালক পদে এই বিভাগ থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন বরগুনার আলমগীর হোসেন। আর নাজমুলের প্যানেল থেকে নিয়েছেন বর্তমান বিসিবির পরিচালক এম এ আউয়াল চৌধুরী। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ২৯ অক্টোবর। গতবারের মতো এবারও হয়তো সব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হবে। সেটি হলে ঢাকা-বরিশাল বিভাগের তিনটি বাদে বাকি ২২ পরিচালক পদেই (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুটি কোটাসহ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন নাজমুল ও তাঁর সমর্থকেরা।
প্যানেল ঘোষণার সময় নাজমুল বললেন, ‘গতবার প্যানেল যেমন ছিল, এবারও সেটিই থাকছে। খুব একটা পরিবর্তন নেই।’
বিসিবির আগামী পরিচালনা পর্ষদেও যে খুব একটা পরিবর্তন আসছে না, সেটি না বলে দিলেও চলছে। নাজমুল নিজে একবার আভাস দিয়েছিলেন, নেতৃত্বে নতুন প্রজন্ম এলে সরে দাঁড়াবেন। তবে এই মেয়াদে সেটি হচ্ছে না, তা নিশ্চিত।
এক নজরে বিসিবি নির্বাচন ২০১৭
৩১ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন হবে ২৫ পদে। এর মধ্যে ২২জনই নির্বাচিত হতে পারেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়!
ক্যাটগরি-১ : জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০ জন
এই ক্যাটাগরি থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন সাতজন— 
চট্টগ্রাম: আকরাম খান ও আ জ ম নাসির। 
খুলনা: কাজী ইনাম আহমেদ ও শেখ সোহেল। 
রাজশাহী: সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী 
সিলেট: শফিউল আলম চৌধুরী
রংপুর: আনোয়ারুল ইসলাম
ক্যাটগরি-২ : ঢাকার ক্লাব থেকে ১২ জন 
এই ক্যাটাগরি থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন সবাই—নাজমুল হাসান, আহমেদ সাজ্জাদ উল আলম, এনায়েত হোসেন সিরাজ, মাহবুব আনাম, আফজালুর রহমান, মনজুর কাদের, জালাল ইউনুস, নজিব আহমেদ, ইসমাইল হায়দার মল্লিক, গাজী গোলাম মুর্তজা, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, হানিফ ভুঁইয়া, শওকত আজিজ রাসেল ও তানজিল চৌধুর (১৪জনের মধ্যে দুজন আসবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায়)।
ক্যাটগরি-৩ : বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাবেক ক্রিকেটার থেকে ১ জন
এই ক্যাটাগরি থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ।

ফিফার সর্বকালের সেরা দলে রোনালদো, জায়গা হয়নি মেসির

গেমারদের জগতে ফিফার আবেদন আকাশচুম্বী। নব্বইয়ের দশক থেকে ফুটবলপ্রেমীদের তাঁদের প্রিয় তারকা নিয়ে খেলার সুযোগ করে দিচ্ছে এ ভিডিও গেম। এরই মাঝে বাজারে এসে গেছে গেমটির নতুন সংস্করণ ফিফা-১৮। নতুন সংস্করণে সবচেয়ে বেশি রেটিং পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৯৪ পয়েন্ট পাওয়া রোনালদোর চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে লিওনেল মেসি। কিন্তু গেমটির সব সংস্করণ মিলিয়ে যদি কোনো একাদশ করা হয়, তাহলে এ দুজন কি জায়গা পাবেন?

উত্তর হচ্ছে, না! ক্যারিয়ার সেরা বর্তমান রেটিংয়ে রোনালদো জায়গা পেলেও ডান উইংয়ে জায়গা হয়নি মেসির। সে জায়গা নিয়ে নিয়েছেন রোনালদোর স্বদেশি লুইস ফিগো। মেসি ছাড়া ফিফার সেরা একাদশের বাদবাকি নামগুলো অবশ্য চাইলেই ধারণা করে নিতে পারবেন। কারণ, নিজ নিজ সময়ে নিজেদের পজিশনে সেরা খেলোয়াড়ের জায়গাই হয়েছে এ দলে।
গোলরক্ষক: জিয়ানলুইজি বুফন
ফিফার মাঝের বেশ অনেক সংস্করণে সেরা রেটিং নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ইকার ক্যাসিয়াস। তার আগে অলিভার কান কিংবা ফ্যাবিয়েন বার্থেজও এ মুকুট পরেছেন। কিন্তু ফিফা-০৫ সংস্করণে বুফনের ৯৭ রেটিংয়ের ধারেকাছে যেতে পারেননি কোনো গোলরক্ষক।
রাইটব্যাক: লিলিয়ান থুরাম
রাইটব্যাক পজিশনে স্মরণকালে অনেকেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। দানি আলভেজ কিংবা ক্যারিয়ারের শুরুতে সার্জিও রামোস। কিন্তু এঁরা কেউই থুরামকে টপকাতে পারেননি। ফিফা-০৫ সংস্করণে ৯২ রেটিং ছিল ফরাসি এই ডিফেন্ডারের।
সেন্টার ব্যাক: ফার্নান্দো হিয়েরো ও আলেসান্দ্রে নেস্তা
রামোস কিংবা ম্যাট হামেলস নন, ডিফেন্সের জায়গা কেড়ে নিয়েছেন সাবেক স্পেন ও রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক হিয়েরো। ফিফা-০২ সংস্করণে স্প্যানিশ অধিনায়কের রেটিং ছিল ৯৪। রক্ষণে তাঁর সঙ্গী এসি মিলানের বিখ্যাত সে ডিফেন্সের সদস্য নেস্তা। তাঁকে ৯৪ পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল ফিফা-০৫ সংস্করণে।
লেফট ব্যাক: রবার্তো কার্লোস
এ পজিশনে যে তিনিই থাকবেন এটা সবারই জানা। শুধু ফিফা গেম কেন, বাস্তবেও সর্বকালের সেরাদের একজন কার্লোস। ফিফা-০৫ সংস্করণের ৯৪ পয়েন্টে অনুমিতভাবেই আছেন বিশ্বকাপজয়ী এই ফুলব্যাক।
মিডফিল্ড: জিনেদিন জিদান, লুইস ফিগো, রোনালদিনহো, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো 
মধ্যভাগের দায়িত্ব রিয়ালের তারকাপুঞ্জের কাঁধে। আর তাঁদের সঙ্গী বার্সেলোনার রোনালদিনহো। ফিফা-০২ সংস্করণে ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় ফিগোকে ৯৭ পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল। আর জিদান দলে থাকছেন ৯৬ পয়েন্ট নিয়ে (ফিফা-০৫)। মধ্য মাঠে জিদানের সঙ্গী অবধারিতভাবেই রোনালদিনহো, ফিফার ২০০৬ সংস্করণে ৯৫ পয়েন্ট ছিল সময়ের সেরা খেলোয়াড়ের। আর ফিফা-১৮ তে ৯৪ পয়েন্ট পেয়ে লেফট উইংয়ে থাকবেন রোনালদো।
স্ট্রাইকার: রোনালদো, থিয়েরি অরি
‘দ্য ফেনোমেনন’ ফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেটিংধারী খেলোয়াড়। ফিফার ২০০৪ সংস্করণে ৯৮ রেটিং দেওয়া হয়েছিল তাঁকে! পরের বছরই তাঁকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিলেন আর্সেনালে সোনালি সময় পার করা থিয়েরি অরি (৯৭ পয়েন্ট)।

কোহলি-আমিরের ‘ভালোবাসা’ চলছেই

বিরাট কোহলি ও মোহাম্মদ আমির—বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা দুই ক্রিকেটার। একজন ব্যাটসম্যান, আরেকজন বোলার। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন ভারতীয়, অন্যজন পাকিস্তানি। দুজনের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্ক না হোক, লড়াই-লড়াই একটা ভাব তো থাকা উচিত। কিন্তু এ দুজনের মধ্যে যে তেমন কিছুই দেখা যাচ্ছে না! দুজনেই একে অপরকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন সুযোগ পেলেই।
কদিন আগেই মোহাম্মদ আমিরকে নিয়ে আরেক আমিরের (নায়ক আমির খান) অনুষ্ঠানে প্রশংসায় মেতেছিলেন কোহলি। সেখানে নিজের দেখা সেরা বোলারের নামটা জানিয়েছেন এভাবে, ‘বর্তমান সময়ের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিরই সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে। বিশ্বের প্রথম দু-তিনজন বোলারের একজন সে। আমার ক্যারিয়ারে মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে কঠিন বোলার। অসাধারণ, খুবই ভালো বোলার ও।’
এমন প্রশংসার উত্তর দিতে সময় নেননি আমিরও। ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, ভালোই লাগে (এমন প্রশংসা শুনতে)। ভালো খেলার পুরস্কার এটা। কোনো সন্দেহ নেই, কোহলি খুব ভালো ব্যাটসম্যান এবং তার প্রশংসা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। আর নিজের ওপর বিশ্বাস করতে পারলে বোলিং আরও ভালো হয়। আমি বহুবার বলেছি, বর্তমানে সে-ই আমার প্রিয় ব্যাটসম্যান। সে খুব শক্ত প্রতিপক্ষ এবং তার বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকেও সে রকম দৃঢ় হতে হবে।’ পারস্পরিক সম্মানেই যে তাঁদের সম্পর্ক থেমে নেই, সেটা জানিয়েছেন আমির। সুযোগ পেলেই কোহলির কাছ থেকে উপহার বুঝে নেন পাকিস্তানের এই পেসার, ‘আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া খুব ভালো। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আমাকে একটা ব্যাট দিয়েছে, বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতেও দিয়েছিল। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও একসঙ্গে খেলেছি আমরা। আমি যে বছর খেলছি, কোহলি সেবার ভারতের অধিনায়ক ছিল। আমাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা তাই বেশ ভালো। ওর ব্যাট আমার খুব পছন্দ, তাই আমি সব সময় চেয়ে নিই। না চাইলেও আমাকে উপহার দেয় সে। কোনো সন্দেহ নেই, আমার কাছে কিছু চাইলে, অবশ্যই সেটা দেব।’
তবে এমন সম্পর্কের পরও মাঠে কোহলিকে একবিন্দু ছাড় দেন না আমির। কারণ, মাঠে নামলে যে বন্ধুত্বের চেয়ে দেশের জয়টাই গুরুত্বপূর্ণ সব ক্রিকেটারের কাছে, ‘মাঠে কোনো বন্ধুত্ব থাকে না। সবাই নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবাই দেশের জন্য সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করে। মাঠে পরিকল্পনা থাকে ওকে যত দ্রুত সম্ভব আউট করার। রান তাড়া করায় ও অসাধারণ, চাপে সব সময় ভালো করে। তাই ওকে আউট করা মানেই ম্যাচ পঞ্চাশ ভাগ জিতে যাওয়া। কোহলি খুব ভালো ক্রিকেটার। আমি আশা করি, সে তাঁর দেশ ও ভক্তদের জন্য আরও অনেক রেকর্ড গড়বে।’
তাঁদের দুজনের মধ্যে এমন সম্পর্ক দুই দেশের দর্শকের মধ্যেও দেখতে চান আমির, ‘ভারতীয়রা ক্রিকেট নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ, পাকিস্তানিরাও তাই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির কথাই ভেবে দেখুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুদ্ধ বেধে গিয়েছিল। এটা ঠিক নয়। ভক্তদের উচিত ক্রিকেটকে সমর্থন করা। এতে দুই দেশের জন্যই ভালো।’ সূত্র: ক্রিকইনফো।

আবারও তামিমকে নিয়ে অনিশ্চয়তা

চোট পিছুই ছাড়ছে না তামিম ইকবালের। দক্ষিণ আফ্রিকায় আসার পর তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম সেশনে বাঁ ঊরুর ওপরের দিকের মাংসপেশিতে চোট পেয়েছিলেন, যেটি তাঁকে ভোগাচ্ছে এখনো। ব্যথা আবারও বেড়ে যাওয়ায় তামিম এবার অনিশ্চিত সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও।
অনুশীলন করতে তামিম আজ দলের সঙ্গে মাঠে আসেননি। ছিলেন টিম হোটেলেই। স্থানীয় সময় দুপুর দুইটায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টা) তাঁর স্ক্যান করানোর কথা। স্ক্যান রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে তাঁর খেলা।
তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে চোট পাওয়ার পর ব্যথা নিয়েই তামিম খেলেছিলেন পচেফস্ট্রুমে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ‘গ্রেড ওয়ান টিয়ার’ চোটের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ায় খেলতে পারেননি ব্লুমফন্টেইনে পরের টেস্ট। ব্যথা কমায় তামিম ফিরেছিলেন পার্লে ১৮ অক্টোবর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। কিন্তু ম্যাচটা খেলায় আবারও বেড়েছে তাঁর ব্যথা। পরশু সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে তামিমকে নিয়ে তাই আবারও অনিশ্চয়তা।

ডি ভিলিয়ার্সই ম্যাচটা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে : মাশরাফি

গত ম্যাচে নিজের বোলারদের দুষেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই ম্যাচে দোষটা এবি ডি ভিলিয়ার্সের ওপর চাপালেন টাইগার অধিনায়ক। টাইগার অধিনায়ক জানালেন, এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো ব্যাটসম্যানরা ফর্মে থাকলে কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। তবে সিরিজের শেষ ম্যাচটা জিততে চান মাশরাফি।   

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাশরাফি বলেন, ‘৩৫৩ রান অবশ্যই বড় লক্ষ্য তবে আমি মনে করি রান তাড়া করে জেতাটা সম্ভব ছিল।’ মাশরাফি অবশ্য ব্যাটসম্যানদের দোষ দেননি। তিনি বলেন, আমাদের শুরুটা ভালো হয়েছিল। তবে ইমরান তাহির ইনিংসের মাঝপথে বেশ কয়েকটা উইকেট পেয়ে যায়। সেখানেই ম্যাচ থেকে বের হয়ে যাই আমরা।’

১০৪ বলে ১৭৬ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচটা একাই জিতিয়ে দিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের প্রশংসার কমতি রাখেননি ম্যাশ। তিনি বলেন, বিস্ফোরক আর দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে এবি। সে একাই ম্যাচের চেহারা বদলে দিয়েছে। আমাদের কোনো সুযোগ দেয়নি সে। তার মতো ব্যাটসম্যান এমন ফর্মে থাকলে বাকিদের আর কিছু করার থাকে না।’

সিরিজের শেষ ম্যাচটাতে হলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় একটা জয় চান মাশরাফি। তিনি বলেন, পরের ম্যাচটায় মনোযোগী হতে হবে আমাদের। ইতিবাচক মনোভাব ধরে রাখতে হবে।’ 

এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সামনে ৩৫৪ রানের কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠন মাশরাফি। কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলা এ ম্যাচেও স্বাগতিকদের ভালো সূচনা এনে দেন। ৯০ রান যোগ করেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত ১৮তম ওভারে ব্রেকথ্রু এনে দেন সাকিব। একই ওভারে কুইন্টন ডি কক (৪৬) ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান তিনি। তবে ডি ভিলিয়ার্সকে ফেরাতে পারেননি টাইগার বোলাররা। ১০৪ বলে ১৫ চার এবং ৭ ছয় মেরে ভিলিয়ার্স থামেন ১৭৬ রানে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান।

ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ৪৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও ইমরুল কায়েস মিলে ৯৩ রান যোগ করেন। ইমরুল ৬৮ ও মুশি করেন ৬০ রান। বাকি ব্যাটসম্যানরা বলার মতো কিছু করতে না পারায় ২৪৯ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ১০৪ রানে হেরে টেস্টের মতো ওয়ানডে সিরিজটাও প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিল টাইগাররা।

ডি ভিলিয়ার্সই ম্যাচটা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে : মাশরাফি

গত ম্যাচে নিজের বোলারদের দুষেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই ম্যাচে দোষটা এবি ডি ভিলিয়ার্সের ওপর চাপালেন টাইগার অধিনায়ক। টাইগার অধিনায়ক জানালেন, এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো ব্যাটসম্যানরা ফর্মে থাকলে কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। তবে সিরিজের শেষ ম্যাচটা জিততে চান মাশরাফি।   

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাশরাফি বলেন, ‘৩৫৩ রান অবশ্যই বড় লক্ষ্য তবে আমি মনে করি রান তাড়া করে জেতাটা সম্ভব ছিল।’ মাশরাফি অবশ্য ব্যাটসম্যানদের দোষ দেননি। তিনি বলেন, আমাদের শুরুটা ভালো হয়েছিল। তবে ইমরান তাহির ইনিংসের মাঝপথে বেশ কয়েকটা উইকেট পেয়ে যায়। সেখানেই ম্যাচ থেকে বের হয়ে যাই আমরা।’

১০৪ বলে ১৭৬ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচটা একাই জিতিয়ে দিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের প্রশংসার কমতি রাখেননি ম্যাশ। তিনি বলেন, বিস্ফোরক আর দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে এবি। সে একাই ম্যাচের চেহারা বদলে দিয়েছে। আমাদের কোনো সুযোগ দেয়নি সে। তার মতো ব্যাটসম্যান এমন ফর্মে থাকলে বাকিদের আর কিছু করার থাকে না।’

সিরিজের শেষ ম্যাচটাতে হলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় একটা জয় চান মাশরাফি। তিনি বলেন, পরের ম্যাচটায় মনোযোগী হতে হবে আমাদের। ইতিবাচক মনোভাব ধরে রাখতে হবে।’ 

এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সামনে ৩৫৪ রানের কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠন মাশরাফি। কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলা এ ম্যাচেও স্বাগতিকদের ভালো সূচনা এনে দেন। ৯০ রান যোগ করেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত ১৮তম ওভারে ব্রেকথ্রু এনে দেন সাকিব। একই ওভারে কুইন্টন ডি কক (৪৬) ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান তিনি। তবে ডি ভিলিয়ার্সকে ফেরাতে পারেননি টাইগার বোলাররা। ১০৪ বলে ১৫ চার এবং ৭ ছয় মেরে ভিলিয়ার্স থামেন ১৭৬ রানে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান।

ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ৪৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও ইমরুল কায়েস মিলে ৯৩ রান যোগ করেন। ইমরুল ৬৮ ও মুশি করেন ৬০ রান। বাকি ব্যাটসম্যানরা বলার মতো কিছু করতে না পারায় ২৪৯ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ১০৪ রানে হেরে টেস্টের মতো ওয়ানডে সিরিজটাও প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিল টাইগাররা।

রংপুরকে আরো শক্তিশালী করতে আসছেন ম্যাককালাম

আর কয়েকদিন বাদেই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসর বিপিএল। সব দলই ইতিমধ্যে তাদের ঘর গোছানো শেষ করেছে। এবারের আসরে শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামবে রংপুর রাইডার্স। মাশরাফি বিন মুর্তজা, শাহরিয়ার নাফিস, মোহাম্মদ মিথুন, সোহাগ গাজী, আব্দুর রাজ্জাকদের মতো দেশি তারকাকে ভিড়িয়েছে দলটি। বিদেশি তারকাদের ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে দেশের সর্বউত্তরের ফ্যাঞ্চাইজিটি। ক্রিস গেইল, লাসিথ মালিঙ্গা, রবি বোপারা, থিসারা পেরেরাদের মতো তারকা রয়েছেন দলটিতে। এবার আরেক তারকা ক্রিকেটারকে দলে ভেড়াল রংপুর। নিউজিল্যান্ডের সাবেক তারকা ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম খেলবেন রংপুরের হয়ে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লিগগুলোতে এখনো সুনামের সঙ্গে খেলছেন ম্যাককালাম। সম্প্রতি তাঁর ব্যাটে ভর করেই ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জিতেছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। এবারের আসরে ১০ ম্যাচে ৩৩৫ রান করেছেন তিনি। ইনজুরির কারণে অবশ্য শেষ তিনটি ম্যাচে খেলেননি এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। শেষ তিনটি ম্যাচ খেললে আসরে সেরা রান সংগ্রাহক হতে পারতেন এই কিউই ব্যাটসম্যান। এ বছর বিগব্যাগ, আইপিএল, ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও সিপিএলে মোট ৪৩টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৩১ গড়ে মোট  এক হাজার ১৭৩ রান করেছেন তিনি। রান সংখ্যায় তাঁর চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ। ৩৭ ম্যাচে এক হাজার ২১৩ রান করেছেন এই অসি ক্রিকেটার।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের চেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান খুব কমই রয়েছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবোর্চ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান তিনি। ৭১ ম্যাচে করেছেন ২১৪০ রান। সব ধরণের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্বিতীয় সবোর্চ্চ রানের রেকর্ডটা এই কিউই ব্যাটসম্যানের দখলে। ২৯৭ ম্যাচে ৮২৪৫ রান করেছেন তিনি। ৩০৯ ম্যাচে ১০৫৭১ রান করে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস গেইল। এবারের আসরে দুজনেই খেলবেন রংপুরের হয়ে। তাহলে বুঝুন, কতটা শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে নামছে রংপুর রাইডার্স। 
তবে শুরু থেকে ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে পাচ্ছে না রংপুর। বিপিএল শুরু হবে ৪ নভেম্বর আর ম্যাককালাম মাশরাফির দলে যোগ দেবেন ১৫ নভেম্বর। এবারের বিপিএলে ৯টি ম্যাচে খেলার কথা রয়েছে এই কিউই ব্যাটসম্যানের।

দক্ষিণ আফ্রিকার পথে শফিউল

বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের চোট তাঁকে দলে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের দলে ডাক পেলেন অভিজ্ঞ পেসার শফিউল ইসলাম। সে লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৭ টায় ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। তৃতীয় ওয়ানডের আগেই দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছাতে পারেন তিনি, খেলতে পারেন সে ম্যাচটিও।
মুস্তাফিজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডের আগে চোটে আক্রান্ত হন। গত শনিবার অনুশীলনের সময় তাঁর পা মচকে যায়। পা ফুলে গেছে, ব্যথাও আছে। এ অবস্থায় তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই শফিউলকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে শফিউল টেস্ট সিরিজের দলে ছিলেন। খেলেছিলেন প্রথম ম্যাচ। এরপর টেস্ট সিরিজ শেষে গত ১২ অক্টোবর শুভাশীষ রায় ও তাইজুল ইসলামের সঙ্গে দেশে ফিরে আসেন তিনি। এখন মুস্তাফিজের চোটের কারণে আবার তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে হচ্ছে।
আগামী রোববার ইস্ট লন্ডনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে খেলবেন মাশরাফি-সাকিবরা। আর দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে ২৬ ও ২৯ অক্টোবর।

আবারও সন্দেহ মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং নিয়ে

আবারও সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ এসেছে মোহাম্মদ হাফিজের বিপক্ষে। গত বুধবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের এই অফস্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আম্পায়াররা।
আম্পায়ারদের অভিযোগ আমলে নিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসিও। ম্যাচ অফিশিয়ালদের প্রতিবেদন পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টের কাছেও পাঠিয়েছে আইসিসি। এক বিবৃতিতে আইসিসি বলেছে, ‘অবৈধ বোলিং অ্যাকশন বিধিমালা অনুযায়ী এখন আবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিতে হবে হাফিজকে। আগামী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষা দিতে হবে তাঁকে। এই সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করতে পারবেন না হাফিজ।’
এর আগেও দুই দফা অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন হাফিজ। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে তিনি কাটিয়েছেন এক বছরের নিষেধাজ্ঞা। এর আগেও একবার হাফিজের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করেছিল আইসিসি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম তিনটি ওয়ানডেতেই বোলিং করেছেন হাফিজ। তিন ম্যাচেই তিনি পেয়েছেন একটি করে উইকেট। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৩টি ওয়ানডে খেলে হাফিজ শিকার করেছেন ১৩৬টি উইকেট। আর ব্যাটসম্যান হাফিজ দাঁড়িয়ে আছেন এক মাইলফলকের সামনে। আর মাত্র ৫০ রান করতে পারলেই তিনি স্পর্শ করতে পারবেন ওয়ানডেতে ছয় হাজার রানের মাইলফলক।

তৃতীয় ওয়ানডেতে নেই আমলা

নয় বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে সফরটা স্মরণীয় করতে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজটাও খুইয়েছে টাইগাররা। দুটি সিরিজেই বাংলাদেশের বোলারদের বেশ ভুগিয়েছেন হাশিম আমলা। দুটি ওয়ানডেতে একটি শতকসহ ১৯৫ রান করেছেন প্রোটিয়া ওপেনার। গড়টা অবিশ্বাস্য, ১৯৫! টেস্টের তিন ইনিংসে করেছিলেন ২৯৭ রান। মুস্তাফিজ-সাকিবরা আমলার ব্যাটের তেজটা ভালোভাবেই অনুভব করেছেন। তবে তৃতীয় ওয়ানডের আগে সুখবর পাচ্ছেন মাশরাফিরা। সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় তৃতীয় স্কোয়াডে ম্যাচে আমলাকে রাখছেন না ফাফ দু প্লেসি। তাঁর পরিবর্তে টেস্ট সিরিজে দারুণ ব্যাটিং করা এইডেন মার্করামকে দলে নেওয়া হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি সিরিজে রয়েছেন আমলা-ডি ভিলিয়ার্স-দু প্লেসিরা। আর এরই মধ্যে ওয়ানডে সিরিজটাও নিশ্চিত করে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এখন তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে প্রোটিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট। এই কারণে তৃতীয় ম্যাচের দল থেকে বাদ দেওয়া হলো হাশিম আমলাকে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাঁকে আরো প্রাণবন্ত চায় দলটি। আর বিশ্রামটা দরকার ছিল আমলার। কারণ এই বছরের মে মাসের পর থেকে টানা ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
ধারণা করা হচ্ছে, তৃতীয় ম্যাচের স্কোয়াডে আরো দু-একটি পরিবর্তন আসতে পারে। টিম্বা বাভুমা ও উইলিয়াম মুলদার স্কোয়াডে থাকলেও একটি ম্যাচেও মাঠে নামতে পারেননি তাঁরা। তৃতীয় ম্যাচে তাঁদের খেলানো হতে পারে। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটি আগামী রোববার ইস্ট লল্ডনে অনুষ্ঠিত হবে।   

আবার ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

সম্প্রতি দারুণ ক্রিকেট খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে টেস্ট ও ওয়ানডে দুটি সিরিজেই পর্যুদস্ত করেছে ফাফ দু প্লেসির দল। ভালো খেলার ফলটাও হাতে হাতে পেয়ে গেল দেশটি। ভারতকে হটিয়ে আবার ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে প্রোটিয়ারা। তৃতীয় ওয়ানডে না হারলে শীর্ষেই থাকবে তাঁরা। বৃহস্পতিবার আইসিসি প্রকাশিত সর্বশেষ ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর জায়গাটি দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের জায়গা দিতে দুইয়ে নেমে গেছে ভারত।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছিল ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে পুরোনো সাম্রাজ্য ফিরে পেত প্রোটিয়ারা। অনুমিতভাবে সহজেই সিরিজটা জিতে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১২০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফিরলেন দু প্লেসি-ডি ভিলিয়ার্সরা। ভারতেরও রেটিং ১২০। তবে ৬২৪৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে প্রোটিয়ারা। ভারতের সংগ্রহ ৫৯৯৩ পয়েন্ট।
শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকছে ভারতের সামনে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে আবার ওয়ানডের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পাবেন কোহলিরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ হারায় বাংলাদেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। ৯২ রেটিং নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে মাশরাফির বাংলাদেশ।
আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিং অনুযায়ী ১২০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুইয়ে ভারত। ১১৪ রেটিং নিয়ে তিনে অস্ট্রেলিয়া। চার ও পাঁচ নম্বর স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তান ছয় ও বাংলাদেশ রয়েছে সাত নম্বর অবস্থানে। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে আট ও নয় নম্বর স্থানে। পরের তিনটি নাম হলো আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড।

ধনী কোচদের কাতারে হাথুরুসিংহে

২০১৪ সালের মেতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পান চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। তাঁর অধীনেই যেন বদলে যেতে থাকে বাংলাদেশ দল। বিশেষ করে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে এক নতুন বাংলাদেশকে দেখেছিল ক্রিকেট বিশ্ব। লাল-সবুজের দল সেবারে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে রীতিমতো চমকে দিয়েছিল। সে ধারাবাহিকতায় গত দুই-আড়াই বছর দারুণ কিছু সাফল্য ঘরে তুলেছে বাংলাদেশ, এই কোচের অধীনেই।
বাংলাদেশ দলের সাফল্যের অন্যতম রূপকারের বেতন বেশ অবাক করা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে বছরে প্রায় তিন কোটি টাকা বেতন পাচ্ছেন হাথুরুসিংহে। তাই বিশ্বক্রিকেটে ধনী কোচদের তালিকায়ও নাম লিখিয়েছেন তিনি। ভারতের রবি শাস্ত্রী, অস্ট্রেলিয়ার ড্যারেন লেহম্যান ও ইংল্যান্ডের ট্রেভর বেলিসের পরই বাংলাদেশ কোচের অবস্থান।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বোর্ড ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রী বছরে বেতন পান সাড়ে নয় কোটি টাকা। অস্ট্রেলিয়ার লেহম্যানের চার কোটি ৫৩ লাখ এবং ইংল্যান্ডের কোচ ট্রেভর বেলিস পান চার কোটি ২৯ লাখ টাকা বেতন।
এরপরই বাংলাদেশের হাথুরুসিংহে, তাঁর মাসিক বেতন ২৮ লাখ টাকা। বছরে মোট আয় দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ছাড়া দলের সাফল্যে বাড়তি বোনাসও পান।
২০১৪ সালে দুই বছরের চুক্তিতে তিনি বাংলাদেশ দলে যোগ দেন। তখন তাঁর মাসিক বেতন ছিল ১৮ লাখ টাকা। দলের সাফল্যের  কারণে ২০১৬ সালে মোটা অঙ্কর বেতন বাড়ে তাঁর। ২৮ লাখ টাকা বেতনে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হন তিনি।
এরপর নিউজিল্যান্ডের মাইক হেসন দুই কোটি ৬০ লাখ, পাকিস্তানের কোচ মিকি আর্থার এক কোটি ৮০ লাখ ও শ্রীলঙ্কার নিক পোথাস এক কোটি ১৫ লাখ টাকা বার্ষিক বেতন পান।  

এশিয়া কাপ হকি নাটকীয়ভাবে চীনকে হারাল বাংলাদেশ

ভারতের দিল্লিতে ২০১৩ সালে বিশ্ব হকি লিগে চীনের বিপক্ষে দারুণ এক জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার লাল-সবুজের দল ৩-২ গোলে হারিয়েছিল চীনকে। চার বছর পর এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্টে সেই চীনের বিপক্ষে আবার দারুণ এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। স্থান নির্ধারণী এই ম্যাচে পেনাল্টি শুট-আউটে ৪-৩ গোলে জিতেছেন জিমি-চয়নরা।
আজ বৃহস্পতিবার মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এ জয়ে আগামী ২০১৮ এশিয়ান গেমসে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচে স্বাগতিক দল শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও পরে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। তাই ম্যাচের নির্ধারিত সময় ৩-৩ গোলে অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে এগিয়ে যায় চীন। গোলদাতা ডু তালাকে। পরের মিনিটে তিনি একইভাবে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন (২-০)। ২৫ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষে একটি গোল করে ব্যবধান কমান। তিন মিনিট পর ডু তালাকে চীনের পক্ষে আরেকটি গোল করেন ব্যবধান ৩-১-এ নিয়ে যান।
এ ব্যবধানে যখন খেলা শেষ হতে চলছিল, তখনই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ৫৩ মিনিটে মিলন হোসেন ফিল্ড অ্যাটাক থেকে এবং ৫৪ মিনিটে খোরশেদ পেনাল্টি কর্নার থেকে পরপর দুটি গোল করে খেলা সমতায় (৩-৩) নিয়ে যান।
নির্ধারিত সময়ে অমীমাসিংত থাকায় খেলা গড়ায় পেনাল্টি শুট-আউটে। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে ফরহাদ হোসেন শিটুল, নাঈমউদ্দিন, পুষ্কর খীসা মিমো, রাসেল মাহমুদ জিমি একটি করে গোল করে দলকে জয়ের উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন। গোল করতে ব্যর্থ হন সবুজ।    
অবশ্য এর আগে আসরের গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই হেরেছিল বাংলাদেশ। ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ৭-০ গোলে হেরেছিল তারা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে জাপানের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের দল।

চার বছর পর নেইমার হবে বিশ্বসেরা

জাতীয় দলে তিনি নেইমারের সঙ্গে খেলেছেন, বার্সেলোনায় খেলছেন মেসির সঙ্গে। দুজনকেই বেশ ভালোভাবে চেনেন পাওলিনহো। ব্রাজিলের আক্রমণভাগের এই তারকা ফুটবলার জানালেন, মেসিই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ফুটবলার। সেই সঙ্গে সতীর্থ নেইমার প্রসঙ্গেও ভবিষ্যৎবাণী করলেন তিনি। জানালেন, চার বছর পর নেইমার হবেন বিশ্বসেরা। চার-পাঁচ বছর মেসির অবসর নেওয়ার সময় হয়ে আসবে। পাওলিনহো স্পষ্টতই বোঝাতে চেয়েছেন, মেসি থাকা অবস্থায় নেইমারের পক্ষে বিশ্বসেরা হওয়া সম্ভব নয়।
চ্যাম্পিয়নস লিগে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে মেসি ও নেইমারের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক বোঝাতে গিয়ে পাওলিনহো বলেন, ‘জাতীয় দলে নেইমারের সঙ্গে খেলেছি আমি। এখানে (বার্সেলোনায়) মেসির সঙ্গে খেলছি। তাঁরা দুজনেই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তারা দুজনেই এই সময়ের সেরা। তবে মেসিই এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা। চার বছর পর নেইমার হয়তো মেসির অবস্থানে যেতে পারবে।
পাওলিনহো আরো বলেন, ‘তাদের দুজনের সঙ্গে খেলাটাই দারুণ। আপনার কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। আপনাকে কেবল নিজের কাজটাই করে যেতে হবে। তাঁরা নিজেদের দায়িত্বের চেয়ে অনেক বেশি খেলে থাকে যেটার সুফল দল পায়। তাঁরা দুজনই দারুণ। বর্তমান সময়ে তাঁদের চেয়ে সেরা আর কেউ নয়। তবে মেসি বিশ্বসেরা। একদিন নেইমারও সেরা হবে। হয়তো দু-তিন বছরের মধ্যেই।’
অলিম্পিয়াকোসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। গোল করে ইউরোপিয়ান লিগে শততম গোল করার রেকর্ড গড়েছেন মেসি। একই রাতে জয় পেয়েছে নেইমারের পিএসজি। গোল করেছেন ব্রাজিল তারকাও।

চার বছর পর নেইমার হবে বিশ্বসেরা

জাতীয় দলে তিনি নেইমারের সঙ্গে খেলেছেন, বার্সেলোনায় খেলছেন মেসির সঙ্গে। দুজনকেই বেশ ভালোভাবে চেনেন পাওলিনহো। ব্রাজিলের আক্রমণভাগের এই তারকা ফুটবলার জানালেন, মেসিই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ফুটবলার। সেই সঙ্গে সতীর্থ নেইমার প্রসঙ্গেও ভবিষ্যৎবাণী করলেন তিনি। জানালেন, চার বছর পর নেইমার হবেন বিশ্বসেরা। চার-পাঁচ বছর মেসির অবসর নেওয়ার সময় হয়ে আসবে। পাওলিনহো স্পষ্টতই বোঝাতে চেয়েছেন, মেসি থাকা অবস্থায় নেইমারের পক্ষে বিশ্বসেরা হওয়া সম্ভব নয়।
চ্যাম্পিয়নস লিগে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে মেসি ও নেইমারের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক বোঝাতে গিয়ে পাওলিনহো বলেন, ‘জাতীয় দলে নেইমারের সঙ্গে খেলেছি আমি। এখানে (বার্সেলোনায়) মেসির সঙ্গে খেলছি। তাঁরা দুজনেই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তারা দুজনেই এই সময়ের সেরা। তবে মেসিই এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা। চার বছর পর নেইমার হয়তো মেসির অবস্থানে যেতে পারবে।
পাওলিনহো আরো বলেন, ‘তাদের দুজনের সঙ্গে খেলাটাই দারুণ। আপনার কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। আপনাকে কেবল নিজের কাজটাই করে যেতে হবে। তাঁরা নিজেদের দায়িত্বের চেয়ে অনেক বেশি খেলে থাকে যেটার সুফল দল পায়। তাঁরা দুজনই দারুণ। বর্তমান সময়ে তাঁদের চেয়ে সেরা আর কেউ নয়। তবে মেসি বিশ্বসেরা। একদিন নেইমারও সেরা হবে। হয়তো দু-তিন বছরের মধ্যেই।’
অলিম্পিয়াকোসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। গোল করে ইউরোপিয়ান লিগে শততম গোল করার রেকর্ড গড়েছেন মেসি। একই রাতে জয় পেয়েছে নেইমারের পিএসজি। গোল করেছেন ব্রাজিল তারকাও।

Wednesday, October 18, 2017

রাজনীতি নিয়ে মেসি–পিকের দ্বন্দ্ব!

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা প্রশ্নে পিকের কণ্ঠ খুবই সোচ্চার। তিনি নিজের জনগোষ্ঠীর অধিকার কিংবা রাজনৈতিক স্বাধিকার সম্বন্ধে খুবই সচেতন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এসব নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেন। রাজনৈতিক বিষয়াদিতে যা হয় আর কি, পোস্টগুলোয় সমর্থন যেমন পান, সে অনুযায়ী তীব্র সমালোচনারও স্বীকার হতে হয়।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে বার্সেলোনার সর্বশেষ লা লিগা ম্যাচেই মেসি আর পিকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ড্রেসিংরুমে পরিস্থিতিটা নাকি হয়ে উঠেছিল বেশ উত্তপ্তই। সে ম্যাচে সুয়ারেজের গোলে হার এড়ায় বার্সেলোনা। খেলা শেষে এই কথা, সেই কথায় পিকের সঙ্গে লেগে যায় তাঁর। তিনি বলে দেন পিকের উচিত রাজনীতি নিয়ে অতিরিক্ত মাথা না ঘামিয়ে পুরোপুরি ফুটবলে মনঃসংযোগ করা।
কাতালোনিয়া সমস্যাটা নিয়ে মেসি শুরু থেকেই বেশ চিন্তিত। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবল ছাড়া আর কিছুই মাথায় রাখতে চান না। একজন স্প্যানিশ টিভি সাংবাদিকের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের পত্রিকা ডেইলি স্টার লিখেছে, অ্যাটলেটিকো ম্যাচের আগে মেসি এসব নিয়ে পুরো দলকেই সাবধান করেন। ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর তাঁর শঙ্কাই সত্য হয়। মেসি অনুভব করছেন, গোটা দলই (বার্সেলোনা) যেন ফুটবল বাদ দিয়ে রাজনীতি নিয়ে বেশি চিন্তাভাবনা করছে।